ইন দ্য হ্যান্ড অব তালেবান এক অর্থে লেখিকা ইভন রিডলির আত্মজীবনী নয়। আবার অন্য অর্থে এটা তার আত্মজৈবনিক এক অসামান্য দলিল।
স্বভাবতই এ কথার মধ্যে একটা মতদ্বৈততা খুঁজে পাবেন পাঠকমাত্রই। এখানে মতদ্বৈততার তৈরি হয়েছে মূলত বন্দিবস্থায় তার স্থিতি এবং মুক্ত হয়ে তার ইসলাম গ্রহণের পটভূমির কারণে।
২০০১ সালে ইভন রিডলি যতোটা না আলোচিত হয়েছিলেন তালেবানের হাতে বন্দি হয়ে, তার চেয়ে বেশি আলোচিত হয়েছিলেন মুক্তির কিছুদিন পর অকস্মাৎ ঘোষণা দিয়ে ইসলাম গ্রহণ করে। এটা পশ্চিম তো বটেই, অবাক করেছিলো আমার মতো প্রাচ্যের অনেক তরুণকেই। তখন থেকেই মুসলিমবিশ্বে ইভন রিডলি খুব পরিচিত একটি নাম। সত্যি বলতে, বর্তমানে মুসলিমদের কাছে পশ্চিমে তিনি অনেকটা অচেনা অভিভাবকের মতোই একজন।
ইসলাম গ্রহণের পর নানা কারণেই সংবাদমাধ্যমের শিরোনাম হয়েছেন তিনি। কখনো ফিলিস্তিনের প্রতি নিজের অকুণ্ঠ সমর্থন জানিয়ে, কখনো ইসলামে নারীর অধিকার সম্পর্কে স্পষ্ট ভাষণ দিয়ে, কখনো বা জঙ্গিবাদ নিয়ে খোলামেলা আলোচনা করে। তিনি সবসময়ই আপন আলোয় ছিলেন সয়ম্ভর।
এ গ্রন্থ বয়ান করেছে ইভন রিডলির ৯/১১ এবং তৎপরবর্তী জীবনের আলোড়িত অংশ। যা যে কোনো পাঠকের পাঠোত্তেজনার পারদকে নিমিষেই বাড়িয়ে দিতে সমর্থ রাখে।
