আদ-দু‘আ

« <
/ 54
> »

গোলাম আযাদের সওয়াব

আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.) থেকে বর্ণিত: “যে ব্যক্তি দিনের শুরুতে দশবার এই কালিমাটি পাঠ করবে—

«لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ، وَحْدَهُ لَا شَرِيكَ لَهُ، لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ، وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ»

—তবে তা ইসমাইল (আ.)-এর বংশধর থেকে দুজন দাস মুক্ত করার সমান সওয়াব এনে দেবে।” বর্ণনাকারী ইব্রাহিম (রাহ.) এর সাথে আরও যোগ করেছেন— ‘বিইয়াদিহিল খায়ের’ (অর্থাৎ: সকল কল্যাণ তাঁরই হাতে)।

১৫৩. দোয়া কবুলের পাঁচটি বাক্য

মুজাহিদ (রাহ.) থেকে বর্ণিত: “যে ব্যক্তি এই পাঁচটি কালিমা পাঠ করবে, তার নিজের জন্য করা পাঁচটি দোয়া কবুল করা হবে: ১. লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারিকা লাহু। ২. লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল হামদু। ৩. ওয়া হুয়া আলা কুল্লি শাইয়িন কাদির। ৪. লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারিকা লাহু। ৫. লাহুন্নি‘মাতু ওয়াল ফাদলু ওয়াস সানাউল হাসান (অর্থাৎ: সকল নেয়ামত, অনুগ্রহ এবং উত্তম প্রশংসা কেবল তাঁরই জন্য)।”

১৫৪. কালিমার শাশ্বত কল্যাণ

আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত: “যে ব্যক্তি ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ পাঠ করবে, জীবনের কোনো না কোনো দিন তা তার উপকারে আসবেই; তার আগে তার ওপর দিয়ে যাই অতিবাহিত হয়ে থাকুক না কেন (অর্থাৎ ঈমানের এই স্বীকৃতি তাকে চূড়ান্ত মুক্তি এনে দেবে)।”

১৫৫. এক গোলাম আযাদের মর্যাদা

বারা ইবনে আযিব (রা.) থেকে বর্ণিত, নবী করিম ﷺ ইরশাদ করেছেন: “যে ব্যক্তি ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারিকা লাহু, লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল হামদু ওয়া হুয়া আলা কুল্লি শাইয়িন কাদির’ পাঠ করবে, সে একটি দাস মুক্ত করার সমান সওয়াব পাবে।”

১৫৬. চার গোলাম আযাদের মর্যাদা

আবু আইয়ুব আনসারী (রা.) থেকে বর্ণিত: “যে ব্যক্তি (একইভাবে) এই কালিমাটি পাঠ করবে, সে চারজন দাস মুক্ত করার সমান সওয়াব লাভ করবে।”

১৫৭. সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের শ্রেষ্ঠ আমল

আমর ইবনে শুয়াইব (রাহ.) তাঁর পিতা ও পিতামহ থেকে বর্ণনা করেন: “যে ব্যক্তি সূর্যোদয়ের সময় একশত বার এবং সূর্যাস্তের আগে একশত বার এই কালিমা পাঠ করবে—

«لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ، وَحْدَهُ لَا شَرِيكَ لَهُ، لَهُ الْمُلْكُ، وَلَهُ الْحَمْدُ، وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ»

—তবে আমলের দিক থেকে তার সমসাময়িকদের মধ্যে কেউ তাকে ছাড়িয়ে যেতে পারবে না; না পূর্বের কেউ, না পরের

« <
/ 54
> »