জাগ্রত বিধাতা ও তওবার সুযোগ
আবু মুসা আশআরী (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ ﷺ ইরশাদ করেছেন: “নিশ্চয়ই আল্লাহ তাআলা ঘুমান না, আর ঘুমানো তাঁর শানের জন্য সমীচীনও নয়। তিনি ন্যায়বিচারের পাল্লা কখনো নিচু করেন, আবার কখনো উঁচু করেন। রাতের আগেই তাঁর কাছে দিনের আমলসমূহ পৌঁছে যায় এবং দিনের আগেই রাতের আমলসমূহ পৌঁছে যায়। তিনি দিনের অপরাধীর জন্য (রহমতের) হাত প্রসারিত করে রাখেন যেন সে রাতের আগেই তওবা করে, আর রাতের অপরাধীর জন্য হাত বাড়িয়ে রাখেন যেন সে দিনের আগেই তওবা করে। পশ্চিম দিগন্ত থেকে সূর্য উদিত না হওয়া পর্যন্ত (তওবার এই সুযোগ) এভাবেই চলতে থাকবে।”
১৪৩. তওবা কবুলের সময়সীমা
আবদুল্লাহ ইবনে সালাম (রা.) থেকে বর্ণিত: তিনি বলতেন, “আমি তোমাদের কাছে অবতীর্ণ কিতাব (আসমানি কিতাব) কিংবা প্রেরিত নবী ছাড়া অন্য কোনো সূত্রে কথা বলছি না। নিশ্চয়ই কোনো প্রাণ যদি তার মরণব্যাধি আসার আগেই তওবা করে, তবে আল্লাহ তার তওবা কবুল করবেন। আর এই সুযোগ পশ্চিম দিগন্ত থেকে সূর্য উদিত হওয়া পর্যন্ত বজায় থাকবে।”
১৪৪. আমল পেশ ও অন্তরের বিদ্বেষ
আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত: তিনি বলতেন, “প্রতি সোমবার ও বৃহস্পতিবার আদম সন্তানের আমলসমূহ (আল্লাহর দরবারে) পেশ করা হয়। তখন প্রত্যেক মুসলমানকে ক্ষমা করে দেওয়া হয়; কেবল সেই ব্যক্তিকে ছাড়া যার অন্তরে তার ভাইয়ের প্রতি বিদ্বেষ ও শত্রুতা রয়েছে। তখন বলা হয়— ‘একে ছেড়ে দাও, যতক্ষণ না সে (বিদ্বেষ পরিহার করে) ফিরে আসে’।”
১৪৫. ক্ষমার অন্তরালে থাকা তিনটি প্রধান বাধা
ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত: তিনি বলতেন, “তিনটি বিষয় এমন—যা থেকে কেউ মুক্ত থাকলে আল্লাহ চাইলে তার অন্য সব অপরাধ ক্ষমা করে দিতে পারেন। বিষয় তিনটি হলো— ১. যে ব্যক্তি আল্লাহর সাথে কাউকে শরিক না করে মৃত্যুবরণ করেছে। ২. যে জাদুকর নয় এবং জাদুকরদের অনুসরণও করে না। ৩. যে নিজের ভাইয়ের প্রতি অন্তরে কোনো হিংসা বা শত্রুতা পোষণ করে না।”
১৪৬. কিফলের তওবা ও অলৌকিক ঘোষণা
আবদুল্লাহ ইবনে উমর (রা.) থেকে বর্ণিত: তিনি বলেন, আমি নবী করিম ﷺ-এর কাছ থেকে এমন একটি হাদিস শুনেছি যা একবার বা দুবার শুনলে আমি বর্ণনা করতাম না; কিন্তু আমি এটি তাঁর কাছ থেকে সাতবারেরও বেশি শুনেছি। তিনি
