আদ-দু‘আ

« <
/ 54
> »

থেকে বর্ণিত: “যখন শিংগায় ফুঁ দেওয়া হবে” (সূরা মুদ্দাসসির: ৮)—এই আয়াতের ব্যাখ্যায় নবীজি ﷺ বলেছেন, “আমি কীভাবে স্বস্তিতে থাকি? অথচ শিংগায় ফুঁ দেওয়ার দায়িত্বে নিয়োজিত ফেরেশতা (ইসরাফিল আ.) শিংগা মুখে নিয়ে কপাল নত করে অপেক্ষা করছেন; কখন তাঁকে নির্দেশ দেওয়া হবে আর তিনি ফুঁ দেবেন!” সাহাবীগণ বিচলিত হয়ে আরজ করলেন, “তবে আমরা এখন কী বলব?” তিনি বললেন, “তোমরা বলো—

حَسْبُنَا اللَّهُ وَنِعْمَ الْوَكِيلُ، عَلَى اللَّهِ تَوَكَّلْنَا

আল্লাহই আমাদের জন্য যথেষ্ট এবং তিনিই শ্রেষ্ঠ কর্মবিধায়ক। আমরা কেবল আল্লাহর ওপরই ভরসা করলাম।”

৫৯. ঈমানের মূল নির্যাস

সাঈদ ইবনে জুবায়ের (রাহ.) থেকে বর্ণিত: তিনি বলেছেন, “আল্লাহর ওপর পূর্ণ তাওয়াক্কুল বা ভরসা রাখাই হলো ঈমানের সম্পূর্ণ রূপ।”

৬০. চরম বিপদে ইব্রাহিম (আ.)-এর সম্বল

আমির (রাহ.) থেকে বর্ণিত: পয়গম্বর ইব্রাহিম (আ.)-কে যখন জ্বলন্ত অগ্নিকুণ্ডে নিক্ষেপ করা হয়েছিল, তখন তিনি পরম নিশ্চিন্তে বলেছিলেন:

حَسْبِيَ اللَّهُ وَنِعْمَ الْوَكِيلُ

বঙ্গানুবাদ: ‘আমার জন্য আল্লাহই যথেষ্ট এবং তিনিই শ্রেষ্ঠ কর্মবিধায়ক।’

৬১. প্রতিদিনের অবারিত কল্যাণ ও সুরক্ষার প্রার্থনা

আবদুল্লাহ ইবনে সাবরাহ (রাহ.) থেকে বর্ণিত: আবদুল্লাহ ইবনে আমর (রা.) যখন ভোরে উপনীত হতেন, তখন বলতেন:

اللَّهُمَّ اجْعَلْنِي مِنْ أَعْظَمِ عِبَادِكَ نَصِيبًا فِي كُلِّ خَيْرٍ تُقَسِّمُهُ لِأَحَدٍ مِنْ خَلْقِكَ، مِنْ نُورٍ تَهْدِي بِهِ، وَرَحْمَةٍ تَنْشُرُهَا، وَرِزْقٍ تُبْسِطُهُ، وَشَرٍّ تَدْفَعُهُ، وَضُرٍّ تَكْشِفُهُ، وَبَلَاءٍ تَصْرِفُهُ، وَفِتْنَةٍ تَدْفَعُهَا

বঙ্গানুবাদ: “হে আল্লাহ! আপনি আপনার সৃষ্টির মাঝে আজ যে কল্যাণই বণ্টন করবেন—তা হেদায়েতের আলো হোক, অবারিত রহমত হোক, প্রশস্ত রিজিক হোক কিংবা কোনো অনিষ্ট থেকে সুরক্ষা, বিপদ মুক্তি বা ফিতনা থেকে নিষ্কৃতি হোক—আপনার সেই সকল দানে আমাকে আপনার শ্রেষ্ঠতম অংশীদার বানিয়ে দিন।” সন্ধ্যাবেলাতেও তিনি ঠিক একই শব্দে প্রার্থনা করতেন।

৬২. পবিত্রতা অর্জনের পর সাক্ষ্য ও প্রার্থনা

আলী (রা.) থেকে বর্ণিত: তিনি বলেছেন, “তোমাদের কেউ যখন অজু শেষ করবে, সে যেন বলে—

أَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ، وَأَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا رَسُولُ اللَّهِ، اللَّهُمَّ اجْعَلْنِي مِنَ التَّوَّابِينَ، وَاجْعَلْنِي مِنَ الْمُتَطَهِّرِينَ

বঙ্গানুবাদ: ‘‘আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো উপাস্য নেই এবং মুহাম্মদ ﷺ আল্লাহর রাসুল। হে আল্লাহ! আমাকে তওবাকারীদের অন্তর্ভুক্ত করুন এবং আমাকে পবিত্রতা অর্জনকারীদের অন্তর্ভুক্ত করুন।”

৬৩. অগোচরে অন্যের জন্য দোয়ার বরকত

আবুদ দারদা (রা.) থেকে বর্ণিত,

« <
/ 54
> »