তার পক্ষ থেকে আমাকে উত্তম রিজিক (সন্তান ও সুখ) দিন এবং আমার পক্ষ থেকে তাকেও উত্তম রিজিক দিন। হে আল্লাহ! যতক্ষণ আমাদের একত্রে রাখেন, কল্যাণের সাথেই একত্রে রাখুন; আর যদি কখনো বিচ্ছেদ ঘটান, তবে সেই বিচ্ছেদও যেন কল্যাণের মাধ্যমেই হয়’।”
৩৪. নবীজির সাহাবীদের পারিবারিক ঐতিহ্য
উবাইদাহ (রাহ.) থেকে বর্ণিত: আমি বিয়ে করলাম, কিন্তু বিষয়টি ইব্রাহিম (রাহ.)-কে জানানো হয়নি। পরে যখন তাঁকে জানালাম, তিনি বললেন, “তুমি আমাকে আগে জানালে না কেন? তাহলে তো আমি তোমাকে শিখিয়ে দিতাম সাহাবীগণ বিয়ের পর কী করতেন।” আমি বললাম, “আমি কি আপনাকে বলিনি?” তিনি বললেন, “না। শোনো, নবী মুহাম্মদ ﷺ-এর সাহাবীগণ ততক্ষণ তাদের স্ত্রীদের কাছে যেতেন না, যতক্ষণ না স্ত্রী তাঁর স্বামীর পেছনে সালাত আদায় করত। যদি স্ত্রী পেছনে নামাজ পড়তে রাজি না হতো, তবে স্বামী নিজেই দুই রাকাত নামাজ পড়ে এই দোয়াটি পড়ত—
اللَّهُمَّ بَارِكْ لِي فِي أَهْلِي، وَبَارِكْ لِأَهْلِي فِيَّ، اللَّهُمَّ ارْزُقْنِي مِنْهَا، وَارْزُقْهَا مِنِّي، اللَّهُمَّ اجْمَعْ بَيْنَنَا مَا جَمَعْتَ فِي خَيْرٍ، وَفَرِّقْ بَيْنَنَا إِذَا فَرَّقْتَ فِي خَيْرٍ
বঙ্গানুবাদ: ‘হে আল্লাহ! আমার পরিবারে আমার জন্য বরকত দিন এবং আমার মাঝেও তাদের জন্য বরকত দিন। হে আল্লাহ! তার পক্ষ থেকে আমাকে এবং আমার পক্ষ থেকে তাকে উত্তম রিজিক দিন। হে আল্লাহ! আমাদের মিলনকে কল্যাণের মিলন বানান এবং বিচ্ছেদ হলে তা কল্যাণের বিচ্ছেদ বানান।’
৩৫. মুমিনের জন্য দুনিয়ার অগ্রিম সুসংবাদ
আবদুল্লাহ ইবনে সামিত (রাহ.) থেকে বর্ণিত: আমি আবু যার (রা.)-কে জিজ্ঞেস করলাম, “একজন মানুষ কোনো ভালো কাজ করল আর মানুষ তার প্রশংসা করতে লাগল—একে আপনি কীভাবে দেখেন?” তিনি অত্যন্ত স্নেহের সাথে বললেন, “হে বৎস! এটি তো দুনিয়াতে মুমিনের জন্য মহান আল্লাহর পক্ষ থেকে দ্রুত পৌঁছে যাওয়া অগ্রিম সুসংবাদ।”
৩৬. নতুন চাঁদ দেখার দোয়া
আবু বকর ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আমর ইবনে হাযম (রাহ.) থেকে বর্ণিত: নবী কারিম ﷺ যখনই নতুন চাঁদ দেখতেন, বলতেন:
اللَّهُ أَكْبَرُ، رَبِّي وَرَبُّكَ اللَّهُ، هِلَالُ رُشْدٍ وَبَرَكَةٍ
বঙ্গানুবাদ: “আল্লাহ মহান! হে চাঁদ, আমার এবং তোমার পালনকর্তা একমাত্র আল্লাহ। তুমি এক কল্যাণ ও বরকতের চাঁদ হয়ে উদিত হও।”
৩৭. অপবিত্রতা ও শয়তান থেকে আশ্রয়
হাসান (রাহ.) থেকে বর্ণিত: রাসুলুল্লাহ ﷺ যখনই শৌচাগারে
