আদর্শ মুসলিম

« <
/ 87
> »

তাকে সোজা করতে যাও তবে ভেঙে ফেলবে। আর যদি তুমি তাকে নিয়ে জীবন অতিবাহিত করতে চাও, তবে তার মধ্যকার এই বাঁকা স্বভাবটি মেনেই তোমাকে তা করতে হবে।”
সহীহ মুসলিমের অন্য এক বর্ণনায় এসেছে—
“নারী পাঁজরের হাড় থেকে সৃষ্ট, সে কোনো এক অবস্থায় তোমার জন্য সোজা হয়ে থাকবে না। সুতরাং তুমি যদি তাকে নিয়ে জীবন উপভোগ করতে চাও, তবে তার এই বাঁকা স্বভাবটি থাকা অবস্থাতেই তোমাকে তা করতে হবে। আর যদি তুমি তাকে সোজা করতে যাও, তবে তাকে ভেঙে ফেলবে; আর তাকে ভেঙে ফেলার অর্থই হলো তাকে তালাক দেওয়া।”
নবীজী (সা.)-এর এই অলঙ্কারপূর্ণ ও প্রজ্ঞাময় উপমার মধ্যে নারীর প্রকৃত স্বভাব ও তাঁর সহজাত মেজাজের এক চমৎকার বর্ণনা ফুটে উঠেছে। নারী সবসময় স্বামীর প্রতিটি চাওয়া বা ছকে বাঁধা নিয়মে স্থির থাকবে না—এটিই তাঁর সৃষ্টিগত বৈশিষ্ট্য। একজন সচেতন মুসলিম স্বামীর উচিত এটি মনেপ্রাণে গ্রহণ করা যে, এটিই নারীর স্বভাবজাত প্রকৃতি। স্বামী নিজের মনে সঠিক বা পূর্ণতার যে মানদণ্ড কল্পনা করে রেখেছেন, জোর করে স্ত্রীকে সেই ছাঁচে গড়তে যাওয়া উচিত নয়। বরং নারীর বিশেষ মেজাজ ও প্রকৃতির প্রতি লক্ষ্য রাখা এবং আল্লাহ তাঁকে যেভাবে সৃষ্টি করেছেন সেভাবেই তাঁকে মেনে নেওয়া আবশ্যক। যদি কোনো স্বামী তাঁর নিজের ইচ্ছা বা মেজাজ অনুযায়ী স্ত্রীকে পুরোপুরি ‘সোজা’ করতে চান, তবে তাঁর অবস্থা হবে সেই ব্যক্তির মতো যে পাঁজরের বাঁকা হাড়কে জোর করে সোজা করতে গিয়ে তা ভেঙে ফেলে। আর দাম্পত্যের এই ভেঙে যাওয়াই হলো ‘তালাক’।
যখন একজন সত্যনিষ্ঠ মুসলিম স্বামীর হৃদয়ে নারীর মনস্তত্ত্ব ও মেজাজ সম্পর্কে এই উচ্চতর নববী হিদায়াত গেঁথে যায়, তখন তিনি স্ত্রীর অনেক ছোটখাটো ভুলভ্রান্তি ও বিচ্যুতিকে অত্যন্ত ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখেন। স্ত্রীর সৃষ্টিগত স্বভাবের

« <
/ 87
> »