কর্মজীবনের কঠোর পরিশ্রমের পর পুরুষ যখন তাঁর কাছে ফিরে আসে, তখন সে এমন এক আরাম ও সান্ত্বনা খুঁজে পায়, যার তুলনা মানুষের জীবনে আর কিছুর সাথেই হতে পারে না। রাসূলুল্লাহ (সা.) সত্যই বলেছেন—
“সমগ্র পৃথিবীটাই সম্পদ বা উপভোগের সামগ্রী, আর এই দুনিয়ার শ্রেষ্ঠ সম্পদ হলো নেককার নারী।” [সহীহ মুসলিম]
বিবাহের ব্যাপারে ইসলামের এই সুউচ্চ ও মহিমান্বিত দৃষ্টিভঙ্গি এবং নারীর সম্মানিত মাতৃত্ব ও নারীত্বের প্রতি ইসলামের এই বিরল সম্মান সত্যিই অনন্য।
মুসলিমের কাম্য জীবনসঙ্গিনী:
বিবাহ ও নারীর প্রতি ইসলামের এই মহান দৃষ্টিভঙ্গির আলোকে, একজন প্রকৃত মুসলিম বর্তমান যুগের কিছু তরুণীর বাহ্যিক চাকচিক্য বা অন্তঃসারশূন্য রূপ দেখে মোহিত হন না। বরং তাঁর কাছে আবেদনময়ী হলো একজন পূর্ণাঙ্গ মুসলিম তরুণীর আদর্শিক ব্যক্তিত্ব। তাই তিনি তাঁর জীবনসঙ্গিনী নির্বাচনের ক্ষেত্রে অত্যন্ত ধীরস্থিরভাবে অগ্রসর হন এবং এমন এক সঙ্গিনী খোঁজেন, যার মাঝে সেই সুউচ্চ ইসলামি গুণাবলী বিদ্যমান যা একটি সুখী ও স্থিতিশীল দাম্পত্য জীবন নিশ্চিত করতে পারে।
তিনি কেবল সৌন্দর্য, জৌলুস বা শারীরিক গড়ন দেখেই তুষ্ট হন না—যেমনটি সাধারণত লক্ষ্যহীন যুবকরা করে থাকে। বরং তিনি এসবের পাশাপাশি সুদৃঢ় দ্বীনদারিতা, প্রখর বুদ্ধিমত্তা এবং সুন্দর চরিত্রের অনুসন্ধান করেন। এ ক্ষেত্রে তাঁর পাথেয় হলো রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর সেই অমূল্য নির্দেশনা—
“সাধারণত চারটি গুণ দেখে নারীকে বিয়ে করা হয়: তার ধন-সম্পদ, তার বংশমর্যাদা, তার সৌন্দর্য এবং তার দ্বীনদারিতা। তবে তুমি দ্বীনদার নারীকেই জয় করে নাও (বিয়ে করো), অন্যথায় তুমি ক্ষতিগ্রস্ত হবে (তোমার হাত ধূলিময় হবে)।” [সহীহ বুখারী ও সহীহ মুসলিম]
নারীর ব্যক্তিত্ব সম্পর্কে এটিই হলো আল্লাহর রাসূল (সা.)-এর সঠিক ও হিদায়াতপূর্ণ দৃষ্টিভঙ্গি। এমন নারীই পুরুষকে সুখ, শান্তি ও স্থিতিশীলতা উপহার দিতে পারেন; যিনি দাম্পত্যের নীড়কে অনাবিল আনন্দ, নিরাপত্তা ও সন্তুষ্টি দিয়ে
