আমার ফাঁসি চাই

« <
/ 9
> »

কোনো সত্য ও তথ্যকে বাধাগ্রস্ত না করে, যতটুকু জেনেছি তাই-ই জনসম্মুখে তুলে ধরব এই ভেবে যে, তা যদি বর্তমান এবং আগামী দিনের মানুষের কোনো কাজে লাগে।
এই গ্রন্থ বা পুস্তক পড়ে কোনো কোনো পাঠক আমাদের অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করবেন, পারলে তার চাইতেও ভয়ানক চরম দণ্ড দেবেন। আবার কোনো কোনো পাঠক হয়ত সতর্ক-সাবধান হয়ে বিস্তর চিন্তা-ভাবনা করে আগামী দিনের রাজনৈতিক পথ চলবেন। পাঠক কি করবেন,

এটা একান্তই পাঠকের নিজস্ব ব্যাপার। তবে আমরা এটাকে প্রকাশ করা আমাদের একান্তই দায়িত্ব মনে করেছি। আমাদের সমূহ বিপদের কথা চিন্তা করে সকলেই একবাক্যে বইটি এখন প্রকাশ না করে, শেখ হাসিনা যখন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী থাকবেন না, তখন প্রকাশ করার পক্ষে রায় দিয়েছেন। কিন্তু আমরা স্বামী-স্ত্রী সম্মিলিত সকলের রায়ের সাথে একমত হইনি এই ভেবে যে, মানুষের (শেখ হাসিনার) দূর্বল মুহূর্তে তাঁর পিছনের কথা ফাঁস করে দেয়ার মধ্যে কোনো সৎ সাহস বা কৃতিত্ব থাকতে পারে না।

তাই ভবিষ্যত বিড়ম্বনার সম্ভাবনা জেনেও সর্বশক্তিমান আল্লাহর উপর ভরসা রেখে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার শাসন আমলেই এই গ্রন্থ বা পুস্তক প্রকাশ করার সিন্ধান্ত নিয়েছি। জীবন মানে পরাজিত হওয়া নয়, অবিরাম যুদ্ধ করা। রাখে আল্লাহ মারে কে?
পাঠক মনে করতে পারেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকারিভাবে আমাদের (স্বামী-স্ত্রী) কে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করার জন্যই আমরা এই জাতীয় লেখা তৈরি করেছি। হ্যাঁ, এটা খুবই সত্যি কথা। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রাষ্ট্রীয়ভাবে আমাদের (স্বামী-স্ত্রী) কে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করে চরম অকৃতজ্ঞতার পরিচয় না দিলে হয়ত আমাদের মাথায় এই গ্রন্থ লেখার বিষয়টি আসত না।

পুলিশ, সিআইডি, ডিবি, আইবি, এনএসআই, ডিজিএফআই-সহ রাষ্ট্রের সকল সংস্থায় আমাদের স্বামী-স্ত্রীকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করে দেয়া প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঐ আদেশই আমাদের মাথায় এই বই বা গ্রন্থ লেখার বিষয় এনে দেয়। এখানে যা লেখা হয়েছে তার সবটুকুই বাস্তবের ছবি। আমারা শুধু সত্য বিষয়ের উপর কথার মালা গেঁথেছি।

আমাদের চিন্তায় এই বিষয়গুলো জাগিয়ে দেয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে জানাই আন্তরিক ধন্যবাদ। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঐ বেআইনি আদেশের প্রতি আমরা যারপরনাই কৃতজ্ঞ। কারণ সেই সূত্র থেকেই এত কিছুর বিস্তার।

« <
/ 9
> »