বললেই চলে। ভেতরে বড় একটা মাদ্রাসা তৈরি প্রায় শেষের দিকে। ত্রিশ/চল্লিশ জন ছাত্র দেখলাম। সাপ্তাহিক শবগুজারীতে একশত/একশত পঞ্চাশ মানুষ আসবে। ফলে এস্তেমা বা এরকম কোন সমাবেশ ছাড়া মসজিদ খাঁ খাঁ করবে বলে মনে হল। অবশ্য ভবিষ্যতে প্রয়োজন হতে পারে ভেবে তারা একাধিক তলা করার মতো প্রয়োজনীয় ফাউন্ডেসন এর ব্যবস্থা রেখেছেন। এখানে আমরা কয়েকটি জংলা খরগোস দেখলাম। আমাদের দেখে দ্রুত লাফ এর পর লাফ দিয়ে চোখের নিমেষে দূরে হারিয়ে গেল।
মার্কাজে যাওয়ার পথে একটা বেশ বড় মসজিদ দেখলাম। এক সাথী জানালেন, মসজিদটিতে নামায পড়া হয়না। কারণ, মিস্ত্রীরা কাজ করার সময় ভুল করে কেবলার রোখ কিছুটা বাঁকা করে গেঁথে তুলেছে। আমার অবশ্য মাথায় এলনা কেমন করে এত বড় একটা মসজিদ এর সমস্ত কাজ শেষ হওয়ার আগে কেবলার বিষয়টি কেউ খেয়াল করলেন না। আর যদি কেবলা কিছু বাঁকা হয়েই থাকে কেবলার হিসাবে মেঝেতে বাঁকা করে দাগ দিয়ে নিলেই নামায পড়া যেত। জানিনা প্রকৃত বিষয়টি কি! আমাদের গাড়ী একটা রাস্তার বাঁক ঘুরতেই দূর থেকেই আমেরিয়া মসজিদ নজর কেড়ে নিল। বিশাল ও রুচিশীল শিল্প সৈকর্য্যমন্ডিত মসজিদটিতে মিস্ত্রীরা কাজ করছে। উপরে বেশ কয়েকটা ছোট বড় গম্বুজ। চারদিকের কার্নিসের উপরে ডিজাইন করা পাথর এর নক্সাদার অবস্থান। বহিঃপ্রাচীরের উপরও একই নক্সাদার পাথর বসান। নজর কাড়া সবুজ ও সুন্দর বাগান দিয়ে ঘেরা মসজিদটিকে গেরুয়া রং করা হচ্ছে। মনে হল পর্যটকদের জন্যই মসজিদটি সাজানো হচ্ছে। একই রকম পাথরের নক্সা বাগদাদী মসজিদেও দেখে এসেছি। তাই মনে হল, এই মসজিদের অনুকরণেই বাগদাদী মসজিদের নক্সা করা হয়েছে। গাড়ী দাঁড়াল না জন্য ভাল ভাবে মসজিদটি দেখা সম্ভব হল না।
