তখন জোয়ারের সময়। পানি ক্রমেই বাড়ছিল ও তীরে এসে ছলাত ছলাত করে আছড়ে পড়ছিল। অল্প সময়ের মধ্যেই গাড়ীতে করে বেশ কিছু স্থানীয় পারিবারিক ভ্রমন পিয়াসীরা এসে সৈকতে জমলেন। কিন্তু অর্ধউলঙ্গ নয় বরং খুব শালীন পরিবেশ। শরিয়া মাফিক বোরখা, হাত মোজা ও পা মোজা ছাড়া একটা মেয়ে কোথায়ও দেখলাম না। পাঁচ/ছয় বছরের ছোট বাচ্চারা শুধু আমাদের দেশের মতো পোষাকে তাও প্রায় প্রত্যেকেই পানির জন্য নিরাপদ জ্যাকেট অথবা লাইফ বয়া নিয়ে বাপ চাচার সঙ্গে সমুদ্রের ঢেউয়ের সঙ্গে দাফাদাফি করছে।
রাস্তাগুলো খুবই প্রশস্ত ও ঝকঝকে। কোথায়ও কোন ময়লা বা নোংরা নাই। কিছুদূর পরপরই পুরুষ অথবা মহিলা কর্মিরা রাস্তার ময়লা খুটে তুলে নিচ্ছে। এ সব মহিলা বোরখা ছাড়াও হাত মোজা পা মোজা পড়ে কাজ করছে। বেহায়া বেলেল্লাপনা মার্কা ছবি তো দূরের কথা, বড় মহিলাদের ছবি ও দুই/একটা বিদেশী কোম্পানীর সাইন বোর্ড ছাড়া কোথায়ও চোখে পড়েনি- তাও মার্জিত ও শালীন। দোকানেও ক্যাসেট টিভির কোন অত্যাচার নাই। কেমন যেন অন্য রকম একটা স্নিগ্ধ সুন্দর পবিত্র পরিবেশ, বাংলাদেশের মানুষ তো আমেরিকান ইংলিস হওয়ার প্রত্যাশী। সুতরাং তারা এটা বিশ্বাস করবে কি?
