সবশেষে অন্য একজন ফেরেশতা বলেন: ‘হে আল্লাহ! আপনি প্রত্যেক কৃপণ বা সম্পদ আটকে রাখা ব্যক্তির সম্পদ ধ্বংস করে দিন।’”
১২৫. মহাজাগতিক সেই মোরগ ও তার তাসবিহ
সালিম ইবনে আবিল জাদ (রাহ.) থেকে বর্ণিত: তিনি বলেন, “আল্লাহ তাআলা এমন এক মোরগ সৃষ্টি করেছেন যার দুই পা জমিনের অতল গভীরে, ডানা দুটি মহাশূন্যে এবং ঘাড় আরশের নিচে অবনত। সে প্রতি রাতে ডেকে ডেকে বলে—
«سُبْحَانَ الْمَلِكِ الْقُدُّوسِ.. سُبُّوحٌ قُدُّوسٌ، رَبُّ الْمَلَائِكَةِ وَالرُّوحِ، رَبُّنَا اللَّهُ، الْمَلِكُ الرَّحْمَنُ، لَا إِلَهَ إِلَّا هُوَ»
বঙ্গানুবাদ: ‘পবিত্র সেই মহান সত্তা, যিনি সকল কিছুর মালিক এবং অতীব পবিত্র। তিনি অতি পবিত্র, অতি মহিমান্বিত; ফেরেশতা ও রূহ (জিবরাইল)-এর প্রতিপালক। আমাদের প্রতিপালক আল্লাহ—যিনি পরম দয়ালু অধিপতি; তিনি ছাড়া কোনো উপাস্য নেই।’
আর সেই পবিত্র আহ্বানের সাড়াতেই পৃথিবীর মোরগগুলো তাদের ডানা ঝাপটায় ও ডেকে ওঠে।”
১২৬. অনিদ্রা দূর করার নবীজি শেখানো দোয়া
আবদুর রহমান ইবনে সাবিত (রাহ.) থেকে বর্ণিত: খালিদ বিন ওয়ালিদ (রা.) অনিদ্রা রোগে আক্রান্ত হলেন (রাতে তাঁর ঘুম আসছিল না)। তখন নবী করিম ﷺ তাঁকে বললেন, “আমি কি তোমাকে এমন কিছু বাক্য শিখিয়ে দেব না যা পাঠ করলে তোমার ঘুম আসবে?” তিনি বললেন, “অবশ্যই, হে আল্লাহর রাসুল!” নবীজি ﷺ বললেন, “বলো—
«اللَّهُمَّ رَبَّ السَّمَوَاتِ السَّبْعِ وَمَا أَظَلَّتْ، وَالْأَرَضِينَ السَّبْعِ وَمَا أَقَلَّتْ، وَرَبَّ الشَّيْاطِينِ وَمَا أَضَلَّتْ، كُنْ لِي جَارًا مِنْ شَرِّ خَلْقِكَ جَمِيعًا كُلِّهِمْ، أنْ يَفْرُطَ عَلَيَّ أَحَدٌ مِنْهُمْ، أَوْ يَبْغِيَ، عَزَّ جَارُكَ، وَجَلَّ ثَنَاؤُكَ، وَلَا إِلَهَ غَيْرُكَ»
বঙ্গানুবাদ: ‘হে আল্লাহ! সাত আসমান ও তা যা কিছুকে ছায়া দিয়ে রেখেছে তার প্রতিপালক; সাত জমিন ও তা যা কিছুকে ধারণ করে আছে তার প্রতিপালক; এবং শয়তান ও সে যাদের পথভ্রষ্ট করে তাদের প্রতিপালক! আপনার সকল সৃষ্টির অনিষ্ট থেকে আপনি আমার রক্ষক হয়ে যান—যেন তাদের কেউ আমার ওপর চড়াও হতে না পারে কিংবা সীমালঙ্ঘন করতে না পারে। আপনার আশ্রিত ব্যক্তি পরম সম্মানিত, আপনার প্রশংসা অতি সুউচ্চ এবং আপনি ছাড়া কোনো উপাস্য নেই।’”
১২৭. শেষ রাতের ঐশী আহ্বান
আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.) থেকে বর্ণিত, নবী করিম ﷺ ইরশাদ করেছেন: “রাতের শেষ এক-তৃতীয়াংশ বাকি থাকতে আল্লাহ তাআলা আসমানের দরজাগুলো খুলে দেন এবং দুনিয়ার আকাশে
