নবম অংশ: জীবনের শেষ মুহূর্ত ও মৃত্যু
মৃত্যুর ফেরেশতা মালাকুল মউতের আগমন
আদম (আ.)-এর নশ্বর দেহের বয়স তখন নয়শত ষাট বছর ছুঁয়েছে। তাঁর দীর্ঘ জীবনে তিনি শত শত সন্তান, নাতি ও তাদের বংশধরদের দেখেছেন। তাঁর শরীর তখন বার্ধক্যের ভারে নুয়ে পড়েছে, কিন্তু তাঁর হৃদয় ছিল সর্বদা জান্নাতের পানে ব্যাকুল।
একদিন আদম (আ.) তাঁর ঘরের পাশে একজন সুপুরুষ আগন্তুককে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখলেন। আগন্তুকের চোখেমুখে ছিল এক গম্ভীর প্রশান্তি। আদম (আ.) তাঁর নবীসুলভ প্রজ্ঞা দিয়ে বুঝতে পারলেন, ইনি কোনো সাধারণ মানুষ নন—ইনি মৃত্যুর ফেরেশতা মালাকুল মউত।
হাদীসের বর্ণনায় এসেছে, আজরাইল (আ.) আদম (আ.)-কে সালাম দিয়ে তাঁর রূহ কবয করার অনুমতি চাইলেন। আদম (আ.) জানতেন যে প্রত্যেকটি প্রাণীকে মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করতে হবে, কিন্তু ঠিক এই মুহূর্তে একটি স্মৃতি তাঁর মনে ভেসে উঠল। তিনি ফেরেশতাকে প্রশ্ন করলেন, “আমার আয়ু কি আরও বছর চল্লিশেক বাকি নেই?”
