জানাযার নামাজ, গোসল ও কাফন-দাফন পদ্ধতি (ফেরেশতাদের শিক্ষা)
আদম (আ.)-এর ইন্তেকালের পর তাঁর সন্তানেরা শোকবিহ্বল হয়ে পড়েছিলেন। তাঁরা জানতেন না কীভাবে মৃতদেহের শেষকৃত্য সম্পন্ন করতে হয়। তখন মহান আল্লাহর নির্দেশে ফেরেশতারা মানুষের বেশে অবতীর্ণ হলেন।
তাঁরা জান্নাত থেকে আনা পানি দিয়ে আদম (আ.)-এর পবিত্র দেহকে গোসল করালেন। এরপর জান্নাতী রেশমি কাপড়ে তাঁকে কাফন পরালেন। শীষ (আ.)-কে সামনে ইমাম হিসেবে দাঁড় করিয়ে ফেরেশতারা ও আদম-সন্তানেরা সারিবদ্ধ হয়ে জানাযার নামাজ আদায় করলেন।
অতঃপর ফেরেশতারা একটি কবর খনন করলেন এবং অত্যন্ত মর্যাদার সাথে আদম (আ.)-কে সেখানে দাফন করলেন। দাফন শেষে ফেরেশতারা আদম (আ.)-এর সন্তানদের লক্ষ্য করে বললেন:
“হে বনী আদম! এটিই তোমাদের জন্য নির্ধারিত পদ্ধতি। তোমাদের কেউ মারা গেলে এভাবেই তাকে দাফন করবে।” [আল-বিদায়াহ ওয়ান নিহায়াহ]
আদম (আ.)-এর দাফনস্থল নিয়ে মতভেদ থাকলেও অনেক ঐতিহাসিকের মতে তাঁকে মক্কার ‘জাবালে আবূ কুবাইস’-এ অথবা শ্রীলঙ্কায় দাফন করা হয়েছিল। তাঁর বিদায়ের মাধ্যমে নবুওয়াতের যে ধারা শুরু হয়েছিল, তা কিয়ামত পর্যন্ত জারি থাকার পথ উন্মোচিত হলো।
